চিংড়ি দিয়ে কলার মোচার ঘন্ট – ঐতিহ্যবাহী বাঙালি স্বাদের একটি অসাধারণ রেসিপি
লেখিকা শিপ্রা রায় কর্তৃক সংগৃহীত
বাংলার
ঐতিহ্যবাহী রান্নার তালিকায় চিংড়ি দিয়ে কলার মোচার ঘন্ট একটি
অত্যন্ত জনপ্রিয় ও
সুস্বাদু পদ।
কলার
মোচার
হালকা
তিতকুটে স্বাদ,
নারকেলের মিষ্টি
ঘ্রাণ
এবং
ছোট
চিংড়ির অপূর্ব
মিশ্রণ
এই
রান্নাকে করে
তোলে
অনন্য।
গরম
ভাতের
সঙ্গে
এই
ঘন্ট
একবার
খেলে
এর
স্বাদ
অনেকদিন মনে
থাকবে।
অনেকেই
মনে
করেন
মোচা
পরিষ্কার করা
বা
রান্না
করা
বেশ
ঝামেলার। কিন্তু
সঠিক
নিয়ম
জানা
থাকলে
খুব
সহজেই
ঘরে
তৈরি
করা
যায়
এই
ঐতিহ্যবাহী রেসিপিটি। চলুন
জেনে
নেওয়া
যাক
ধাপে
ধাপে
চিংড়ি
দিয়ে
কলার
মোচার
ঘন্ট
তৈরির
সম্পূর্ণ পদ্ধতি।
"ঐতিহ্যের স্বাদ কখনো পুরোনো হয় না—এক প্লেট কলার মোচার ঘন্টে লুকিয়ে থাকে বাংলার শিকড়, স্মৃতি আর ভালোবাসা।"
পরিবেশন
৪–৫ জন
রান্নার সময়
প্রায়
১
ঘণ্টা
উপকরণ
- কলার মোচা – ১টি (মাঝারি আকারের)
- ছোট চিংড়ি মাছ – ২০০ গ্রাম
- আলু – ১টি (কিউব করে কাটা)
- নারকেল কোরানো – ½ কাপ
- বেসন – ২ টেবিল চামচ
- পেঁয়াজ কুচি – ২ টেবিল চামচ
- আদা বাটা – ১ চা চামচ
- রসুন বাটা – ১ চা চামচ
- হলুদ গুঁড়ো – ১ চা চামচ
- লাল মরিচ গুঁড়ো – ½ চা চামচ
- জিরা গুঁড়ো – ½ চা চামচ
- ধনে গুঁড়ো – ½ চা চামচ
- গরম মসলা গুঁড়ো – ½ চা চামচ
- তেজপাতা – ১টি
- দারুচিনি
– ১
টুকরো
- এলাচ – ২টি
- কাঁচা মরিচ – ২–৩টি
- সর্ষের তেল – ৪ টেবিল চামচ
- লবণ – স্বাদমতো
- চিনি – ½ চা চামচ (ঐচ্ছিক)
মোচা পরিষ্কার করার নিয়ম
প্রথমে
হাতে
সামান্য সর্ষের
তেল
মেখে
নিন।
এতে
মোচার
কষ
হাতে
লাগবে
না।
মোচার
বাইরের
লালচে
খোসা
একে
একে
খুলে
ভেতরের
ফুলগুলো বের
করুন।
প্রতিটি ফুলের
ভেতরে
থাকা
শক্ত
দণ্ড
(স্ট্যামেন) এবং
স্বচ্ছ
খোসা
(ক্যালিক্স) ফেলে
দিন।
এরপর
ফুলগুলো ছোট
ছোট
করে
কেটে
নিন।
একটি
বড়
পাত্রে
পানি
নিয়ে
তাতে
সামান্য হলুদ
ও
লবণ
মিশিয়ে কাটা
মোচা
২০–৩০ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন।
এতে
মোচার
কালচে
রং
হবে
না
এবং
কষও
অনেকটা
বের
হয়ে
যাবে।
চিংড়ি প্রস্তুত করার নিয়ম
চিংড়ি
মাছ
ভালোভাবে ধুয়ে
পরিষ্কার করে
নিন।
এরপর
সামান্য হলুদ
ও
লবণ
মেখে
১০
মিনিট
রেখে
দিন।
একটি
কড়াইয়ে সামান্য সর্ষের
তেল
গরম
করে
চিংড়িগুলো হালকা
করে
১–২ মিনিট ভেজে
তুলে
রাখুন।
বেশি
ভাজবেন
না,
তাহলে
চিংড়ি
শক্ত
হয়ে
যেতে
পারে।
🍲 রান্নার প্রণালী
ধাপ ১: মোচা সেদ্ধ করুন
প্রথমে
লবণ
ও
হলুদ
মেশানো
পানিতে
ভিজিয়ে রাখা
কুচি
করা
মোচাগুলো পরিষ্কার পানি
দিয়ে
২–৩ বার ধুয়ে
নিন।
এরপর
একটি
হাঁড়িতে পর্যাপ্ত পানি
নিয়ে
তাতে
মোচা
ও
কিউব
করে
কাটা
আলু
একসঙ্গে সেদ্ধ
করুন।
চাইলে
সামান্য লবণ
ও
এক
চিমটি
হলুদও
দিতে
পারেন।
মোচা
ও
আলু
নরম
হয়ে
এলে
পানি
ভালোভাবে ঝরিয়ে
নিন।
অতিরিক্ত পানি
থাকলে
রান্নার স্বাদ
ও
ঘনত্ব
নষ্ট
হতে
পারে,
তাই
কিছুক্ষণ ঝাঁঝরিতে রেখে
পানি
ঝরিয়ে
নেওয়াই ভালো।
ধাপ ২: চিংড়ি মাছ ভেজে নিন
চিংড়ি
মাছ
ভালোভাবে পরিষ্কার করে
ধুয়ে
নিন।
এরপর
সামান্য হলুদ
গুঁড়ো
ও
লবণ
মেখে
১০
মিনিট
মেরিনেট করে
রাখুন।
একটি
কড়াইয়ে ১
টেবিল
চামচ
সর্ষের
তেল
গরম
করে
মাঝারি
আঁচে
চিংড়িগুলো ১–২ মিনিট হালকা
সোনালি
হওয়া
পর্যন্ত ভেজে
তুলে
রাখুন।
খুব
বেশি
ভাজবেন
না,
কারণ
এতে
চিংড়ি
শক্ত
হয়ে
যেতে
পারে।
ধাপ ৩: মশলা কষিয়ে নিন
একই
কড়াইয়ে প্রয়োজনে আরও
কিছু
সর্ষের
তেল
দিন।
তেল
ভালোভাবে গরম
হলে
তেজপাতা, দারুচিনি ও
এলাচ
দিয়ে
কয়েক
সেকেন্ড ফোড়ন
দিন,
যাতে
সুন্দর
সুগন্ধ
বের
হয়।
এরপর
পেঁয়াজ কুচি
দিয়ে
মাঝারি
আঁচে
নাড়তে
থাকুন।
পেঁয়াজ হালকা
সোনালি
রঙ
ধারণ
করলে
আদা
ও
রসুন
বাটা
যোগ
করুন।
কাঁচা
গন্ধ
চলে
যাওয়া
পর্যন্ত ২–৩ মিনিট ভালোভাবে কষিয়ে
নিন।
এবার
হলুদ
গুঁড়ো,
লাল
মরিচ
গুঁড়ো,
জিরা
গুঁড়ো
ও
ধনে
গুঁড়ো
অল্প
পানির
সঙ্গে
মিশিয়ে কড়াইয়ে দিন।
মাঝারি
আঁচে
ধীরে
ধীরে
নাড়তে
থাকুন,
যতক্ষণ
না
মশলা
থেকে
তেল
আলাদা
হতে
শুরু
করে।
এই
ধাপটি
রান্নার স্বাদ
বাড়ানোর জন্য
খুবই
গুরুত্বপূর্ণ।
ধাপ ৪: মোচা ও আলু মিশিয়ে কষান
এবার
সেদ্ধ
করা
মোচা
ও
আলু
মশলার
মধ্যে
দিয়ে
দিন।
কাঠের
খুন্তি
দিয়ে
আলতোভাবে নেড়ে
সব
মশলা
সমানভাবে মিশিয়ে নিন।
মাঝারি
থেকে
কম
আঁচে
৮–১০ মিনিট কষাতে
থাকুন।
মাঝে
মাঝে
নেড়ে
দিন,
যাতে
কড়াইয়ের তলায়
লেগে
না
যায়।
এই
সময়েই
মোচার
ভেতরে
মশলার
স্বাদ
ভালোভাবে ঢুকে
যাবে।
ধাপ ৫: নারকেল ও বেসন যোগ করুন
একটি
ছোট
বাটিতে
বেসন
অল্প
পানিতে
মিশিয়ে মসৃণ
পেস্ট
তৈরি
করুন,
যাতে
কোনো
দলা
না
থাকে।
এবার
কোরানো
নারকেল
ও
বেসনের
মিশ্রণ
রান্নায় দিয়ে
ভালোভাবে নাড়ুন।
এরপর
স্বাদমতো লবণ
এবং
চাইলে
অল্প
চিনি
যোগ
করতে
পারেন।
কম
আঁচে
আরও
৫–৭ মিনিট রান্না
করুন।
বেসন
রান্নাটিকে সুন্দরভাবে বেঁধে
রাখবে
এবং
ঘন্টের
ঘন
ও
মোলায়েম টেক্সচার তৈরি
করবে।
নারকেল
যোগ
করার
ফলে
রান্নায় একটি
হালকা
মিষ্টি
স্বাদ
ও
মনোমুগ্ধকর ঘ্রাণ
আসবে।
ধাপ ৬: চিংড়ি মাছ মিশিয়ে শেষ রান্না
এবার
আগে
থেকে
ভেজে
রাখা
চিংড়ি
মাছ
কড়াইয়ে দিয়ে
আলতোভাবে মিশিয়ে নিন,
যাতে
চিংড়ি
ভেঙে
না
যায়।
এরপর
কাঁচা
মরিচ
ছড়িয়ে দিয়ে
ঢেকে
কম
আঁচে
আরও
৫
মিনিট
রান্না
করুন।
এতে
চিংড়ির স্বাদ
মোচার
সঙ্গে
সুন্দরভাবে মিশে
যাবে।
সবশেষে
গরম
মসলা
গুঁড়ো
ছিটিয়ে আরও
১
মিনিট
নেড়ে
চুলা
বন্ধ
করে
দিন।
পরিবেশনের আগে
৫
মিনিট
ঢেকে
রাখুন।
এতে
মসলার
সুগন্ধ
আরও
ভালোভাবে রান্নার সঙ্গে
মিশে
যাবে।
পরিবেশন
গরম
গরম
চিংড়ি
দিয়ে
কলার
মোচার
ঘন্ট
পরিবেশন করুন
সাদা
ভাতের
সঙ্গে।
চাইলে
ডাল,
ভাজা
বা
মাছের
ঝোলের
সঙ্গেও
পরিবেশন করতে
পারেন।
উৎসব,
পারিবারিক আয়োজন
কিংবা
বিশেষ
দুপুরের খাবারে
এই
পদটি
সবার
মন
জয়
করবে।
কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিপস
- মোচা কাটার সময় অবশ্যই হাতে তেল মেখে নিন।
- কাটা মোচা বেশি সময় খোলা রাখবেন না, এতে কালো হয়ে যেতে পারে।
- ছোট চিংড়ি ব্যবহার করলে স্বাদ সবচেয়ে ভালো হয়।
- সর্ষের তেলে রান্না করলে ঐতিহ্যবাহী
ঘ্রাণ ও
স্বাদ পাওয়া যায়।
- নারকেল একটু বেশি দিলে রান্না আরও সুস্বাদু
হয়।
- বেশি নাড়াচাড়া
করবেন না, তাহলে মোচা একেবারে মিশে যেতে পারে।
- ঝাল পছন্দ হলে কাঁচা মরিচের পরিমাণ বাড়াতে পারেন।
পুষ্টিগুণ
কলার
মোচায়
রয়েছে
প্রচুর
খাদ্যআঁশ, আয়রন,
পটাশিয়াম, ভিটামিন বি৬
ও
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এটি
হজমে
সাহায্য করে,
শরীরের
রোগ
প্রতিরোধ ক্ষমতা
বাড়ায় এবং
পুষ্টির ঘাটতি
পূরণে
সহায়ক। অন্যদিকে চিংড়ি
মাছ
উচ্চমানের প্রোটিন, ক্যালসিয়াম ও
ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের ভালো
উৎস।
ফলে
এই
রেসিপি
শুধু
সুস্বাদুই নয়,
পুষ্টিকরও।
উপসংহার
ঐতিহ্যবাহী বাঙালি
রান্নার স্বাদ
যদি
ঘরে
উপভোগ
করতে
চান,
তাহলে
চিংড়ি
দিয়ে
কলার
মোচার
ঘন্ট
হতে
পারে
আপনার
জন্য
একটি
দারুণ
পছন্দ।
অল্প
কিছু
উপকরণ
আর
একটু
সময়
দিলেই
তৈরি
হয়ে
যাবে
সুগন্ধে ভরপুর,
পুষ্টিকর ও
মুখরোচক এই
পদ।
পরিবারের সবাইকে
নিয়ে
গরম
ভাতের
সঙ্গে
উপভোগ
করুন
বাংলার
এই
চিরচেনা ঐতিহ্যবাহী রান্না।
"মায়ের হাতের রান্নার মতো স্বাদ হয়তো আর কোথাও নেই, তবে সেই স্মৃতিকে ফিরিয়ে আনতে পারে এক প্লেট মোচার ঘন্ট।"
❓
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)
১. কলার মোচা কীভাবে পরিষ্কার করলে কষ কম হবে?
মোচা
কাটার
আগে
হাতে
সামান্য সর্ষের
তেল
মেখে
নিন।
কাটা
মোচা
লবণ
ও
হলুদ
মেশানো
পানিতে
২০–৩০ মিনিট ভিজিয়ে রাখলে
কষ
অনেকটাই বের
হয়ে
যায়
এবং
মোচা
কালোও
হয়
না।
২. এই রেসিপিতে কোন ধরনের চিংড়ি ব্যবহার করা সবচেয়ে ভালো?
ছোট
বা
মাঝারি
আকারের
চিংড়ি
এই
রেসিপির জন্য
সবচেয়ে উপযুক্ত। তবে
চাইলে
গলদা
বা
বাগদা
চিংড়িও ব্যবহার করতে
পারেন।
৩. বেসন না দিলে কি রান্না করা যাবে?
অবশ্যই। বেসন
না
দিলেও
রান্না
করা
যায়।
তবে
বেসন
দিলে
ঘন্টের
টেক্সচার আরও
সুন্দর
হয়
এবং
রান্নাটি ভালোভাবে বাঁধা
থাকে।
৪. সর্ষের তেলের পরিবর্তে অন্য তেল ব্যবহার করা যাবে?
হ্যাঁ,
সাদা
তেল
বা
সয়াবিন তেল
ব্যবহার করা
যায়।
তবে
সর্ষের
তেলে
রান্না
করলে
ঐতিহ্যবাহী বাঙালি
স্বাদ
ও
ঘ্রাণ
অনেক
বেশি
পাওয়া
যায়।
৫. নারকেল না থাকলে কী করবেন?
নারকেল
না
থাকলেও
রান্না
করা
সম্ভব।
তবে
কোরানো
নারকেল
ব্যবহার করলে
ঘন্টের
স্বাদ,
ঘ্রাণ
এবং
মোলায়েম ভাব
অনেক
বেড়ে
যায়।
৬. এই রান্না কতদিন সংরক্ষণ করা যায়?
ফ্রিজে
এয়ারটাইট পাত্রে
সংরক্ষণ করলে
২
দিন
পর্যন্ত ভালো
থাকে।
পরিবেশনের আগে
হালকা
গরম
করে
নিলেই
আবার
আগের
মতো
সুস্বাদু লাগবে।
৭. এই রেসিপিটি কি নিরামিষভাবে তৈরি করা যায়?
হ্যাঁ।
চিংড়ি
বাদ
দিয়ে
একই
পদ্ধতিতে রান্না
করলে
এটি
একটি
সুস্বাদু নিরামিষ কলার
মোচার
ঘন্ট
হয়ে
যাবে।
৮. চিংড়ি আগে ভেজে নেওয়ার কারণ কী?
চিংড়ি
আগে
হালকা
ভেজে
নিলে
এর
কাঁচা
গন্ধ
দূর
হয়
এবং
রান্নায় স্বাদ
আরও
ভালোভাবে ফুটে
ওঠে।
তবে
বেশি
ভাজা
উচিত
নয়,
এতে
চিংড়ি
শক্ত
হয়ে
যেতে
পারে।
USDA FoodData Central – কলার মোচা ও চিংড়ির পুষ্টিগুণ সম্পর্কিত তথ্য
📢
আশা
করি
চিংড়ি দিয়ে কলার মোচার ঘন্ট-এর
এই
সহজ
ও
সুস্বাদু রেসিপিটি আপনার
ভালো
লেগেছে। আপনি
যদি
ঘরে
এই
রেসিপিটি তৈরি
করেন,
তাহলে
আপনার
অভিজ্ঞতা আমাদের
সঙ্গে
মন্তব্যের মাধ্যমে অবশ্যই
শেয়ার
করুন।
আপনার
মতামত
ও
পরামর্শ আমাদের
আরও
ভালো
ও
মানসম্মত রেসিপি
প্রকাশ
করতে
অনুপ্রাণিত করবে।
এ
ধরনের
আরও
ঐতিহ্যবাহী বাংলা
রেসিপি,
স্বাস্থ্যকর রান্নার টিপস,
ভ্রমণ,
লাইফস্টাইল, শিক্ষা,
ফ্রিল্যান্সিং, সৃজনশীল লেখা
এবং
নানা
তথ্যবহুল ব্লগ
পড়তে
নিয়মিত ভিজিট
করুন
Digital Pencil।
নতুন
নতুন
কনটেন্ট সবার
আগে
পেতে
আমাদের
ওয়েবসাইটটি বুকমার্ক করে
রাখুন
এবং
আপনার
বন্ধু
ও
পরিবারের সঙ্গে
শেয়ার
করুন।
এছাড়াও আমাদের
Talent Stage ইউটিউব
চ্যানেলে গান,
আবৃত্তি, গল্প,
নাচ,
আর্ট
টিউটোরিয়াল ও
বিভিন্ন সৃজনশীল ভিডিও
নিয়মিত প্রকাশ
করা
হয়।
চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করে
পাশে
থাকা
নোটিফিকেশন বেলটি
চালু
রাখুন,
যাতে
নতুন
কোনো
ভিডিও
মিস
না
করেন।
আপনার
ভালোবাসা, মন্তব্য এবং
একটি
শেয়ার
আমাদের
সামনে
এগিয়ে
যাওয়ার সবচেয়ে বড়
অনুপ্রেরণা। ধন্যবাদ আমাদের
সঙ্গে
থাকার
জন্য।
শুভ
রান্না,
সুস্থ
থাকুন
এবং
পরিবারের সঙ্গে
উপভোগ
করুন
বাংলার
ঐতিহ্যবাহী সব
সুস্বাদু খাবার।

0 মন্তব্যসমূহ