Ticker

6/recent/ticker-posts

Photo Gallery

প্রযুক্তির সঙ্গে বড় হওয়া প্রজন্ম

 

প্রযুক্তির সঙ্গে বড় হওয়া প্রজন্ম: ভালো না খারাপ?

আজকের সন্তানরা জন্ম নিচ্ছে এমন এক পৃথিবীতে, যেখানে ঘুম ভাঙার আগে থেকেই ঘরে ইন্টারনেট, মোবাইল, ট্যাবলেট, স্মার্ট টিভি, এবং ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্টের মতো প্রযুক্তি থাকে। তারা বড় হচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়ার ছবির ভেতর, ইউটিউব ভিডিওর সঙ্গে, গুগল সার্চের সাহায্যে প্রশ্নের উত্তর খুঁজে নিয়ে। কিন্তু প্রশ্ন হলো — এই টেকনোলজি-ঘেরা শৈশব তাদের মন, মূল্যবোধ ও সামাজিক জীবনে কী প্রভাব ফেলছে? আর আমরা কীভাবে প্রস্তুত হচ্ছি?

 

প্রযুক্তির সঙ্গে বড় হওয়া প্রজন্ম

 "ডিজিটাল নেটিভ" প্রজন্ম কারা?

“ডিজিটাল নেটিভ” বলতে বোঝায় সেইসব সন্তান ও কিশোর-কিশোরীদের যারা ইন্টারনেট, স্মার্ট ডিভাইস ও ডিজিটাল প্রযুক্তির সঙ্গে বেড়ে উঠছে। এই প্রজন্ম বাস্তব ও ভার্চুয়াল জগত—দুটোতেই সমান স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে। কিন্তু তাদের মানসিকতা, আচরণ ও শিখনপ্রক্রিয়া আগের প্রজন্মের চেয়ে একেবারেই আলাদা।

"Technology is a useful servant but a dangerous master." – Christian Lous Lange

 

প্রযুক্তি ও নতুন প্রজন্ম: সুবিধা বনাম অসুবিধা

সুবিধা

অসুবিধা

তথ্যের সহজলভ্যতা

আসক্তি ও স্ক্রিন টাইম সমস্যা

ডিজিটাল দক্ষতা তৈরি

মনোযোগে ঘাটতি

সৃজনশীলতার বিকাশ

মানসিক চাপ ও হীনমন্যতা

সহজ যোগাযোগ

সাইবার ঝুঁকি

বিশেষ সহায়তা প্রযুক্তি (Autism etc.)

শারীরিক সমস্যা (স্থূলতা, চোখের চাপ)

 

মনোজগতে প্রযুক্তির প্রভাব

  • মনোযোগের ব্যত্যয়: দ্রুত বদলানো ভিডিও, রিল ও স্ক্রলিং-ভিত্তিক কনটেন্ট মনোযোগ কমিয়ে দিচ্ছে। সন্তানরা আর দীর্ঘ সময় ধরে এক কাজ বা চিন্তায় মন রাখতে পারছে না।
  • তাত্ক্ষণিক সন্তুষ্টির অভ্যাস: একটা ক্লিকেই মজা, খেলা বা গান—এতে ধৈর্য কমে যাচ্ছে।
  • সৃজনশীলতায় সীমাবদ্ধতা: অতিরিক্ত পরিমাণে প্রযুক্তি ব্যবহারে কল্পনাশক্তি ও ম্যানুয়াল এক্সপ্লোরেশনের সুযোগ কমে যায়।
  • আত্মপরিচয়ের সমস্যা: সোশ্যাল মিডিয়ার ফিল্টারড জীবন দেখে নিজেদের সম্পর্কে সন্দেহ তৈরি হয়, বিশেষ করে টিনএজারদের মধ্যে।

 

 সমাজজীবনে প্রযুক্তির প্রভাব

  • সরাসরি যোগাযোগ কমে যাওয়া: খেলাধুলা, আড্ডা বা পারস্পরিক গল্প বলা—এসবের জায়গা নিচ্ছে ভার্চুয়াল গেম বা ভিডিও দেখা।
  • সহানুভূতির অভাব: বাস্তব প্রতিক্রিয়া ও চোখে চোখ রেখে কথা বলার অভ্যাস না থাকায় মানসিক সংযোগ দুর্বল হয়।
  • সোশ্যাল মিডিয়া নির্ভরতা: জনপ্রিয়তা = লাইক, শেয়ার, ফলোয়ার—এ ধারণা আত্মসম্মান বোধে প্রভাব ফেলে।

Common Sense Media For All Age


আমাদের প্রস্তুতি: কী করণীয়?

·       প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার শেখানো

সন্তানকে প্রযুক্তি থেকে পুরোপুরি দূরে রাখা বাস্তবসম্মত নয়। বরং তাদের শেখাতে হবে কোনটা শেখার জন্য, কোনটা বিনোদনের জন্য, আর কোনটা নিরর্থক সময় অপচয়।

·       "স্ক্রিন টাইম" নির্ধারণ করা

বয়স অনুযায়ী দিনে কতক্ষণ স্ক্রিন দেখা যাবে তা ঠিক করতে হবে, সঙ্গে 'স্ক্রিন-ফ্রি টাইম' নিশ্চিত করতে হবে—যেমন খাওয়া, ঘুম, গল্প বা পরিবারে সময়।

·       প্রযুক্তি নয়, সম্পর্ককে প্রাধান্য

পরিবারে কথা বলা, একসঙ্গে খেলাধুলা, প্রকৃতিতে ঘোরা—এসব অভ্যাস সন্তানর মন ও সমাজবোধ গঠনে সহায়ক।

·       ডিজিটাল লিটারেসি ও অনলাইন নিরাপত্তা শেখানো

সন্তানদের বোঝাতে হবে—সব অনলাইন তথ্য সত্য নয়, সাইবারবুলিং বা প্রাইভেসি কীভাবে রক্ষা করতে হয়, তা শিখিয়ে দেওয়া প্রয়োজন।

·       প্রযুক্তির পাশাপাশি সৃজনশীলতা চর্চা

আঁকা, গান, গল্প লেখা, মাটির কাজ, বিজ্ঞান প্রকল্প—এগুলো প্রযুক্তির বাইরে শৈল্পিক ও বিশ্লেষণী চিন্তা গড়তে সাহায্য করে।

 

একটি ভারসাম্যপূর্ণ ভবিষ্যতের জন্য

প্রযুক্তি বন্ধুর মতো, তবে সেটা শর্তহীন নয়। সন্তানরা যেন প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে, কিন্তু প্রযুক্তি তাদের ব্যবহার না করে—এই দৃষ্টিভঙ্গি তৈরির দায়িত্ব আমাদেরই।

এই নতুন প্রজন্মকে তৈরি করতে হলে প্রয়োজন জ্ঞান, সহানুভূতি, সময় দেওয়া ও দায়িত্বপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি। না হলে প্রযুক্তি এক সময় হয়ে উঠবে সন্তানর ভেতরের নির্জনতা ও বিচ্ছিন্নতার জগৎ।


 

সন্তানদের প্রযুক্তি ব্যবহারে আচরণগত পরিবর্তন

  • আগ্রহ ও অভ্যাস বদল: আগে যেখানে গল্পের বই, পুতুল খেলা বা বাইরের মাঠ ছিল আকর্ষণ, এখন সেখানে মোবাইল গেম, ইউটিউব ভিডিও বা ভার্চুয়াল রিয়েলিটি।
  • অধৈর্যতা বৃদ্ধি: সবকিছু দ্রুত পাওয়া (ফাস্ট-ফরওয়ার্ড, স্কিপ অ্যাড) অভ্যাসের কারণে সন্তানরা অপেক্ষা করতে চায় না, ফলে বাস্তব জীবনে অধৈর্যতা দেখা যায়।

 

"আরিয়ান ও তার ভার্চুয়াল জগৎ"

আরিয়ান, ৯ বছরের একটি বাচ্চা। তার বাবা-মা দুজনেই চাকরিজীবী। আরিয়ান স্কুল শেষে বাড়ি ফিরে মোবাইলেই সময় কাটায়—গেম খেলে, ভিডিও দেখে, মাঝে মাঝে চ্যাটও করে বন্ধুদের সঙ্গে।

প্রথম দিকে তারা ভাবত, এতে ওর ইংরেজি ভালো হচ্ছে, বুদ্ধিও শানিত হচ্ছে। কিন্তু কিছুদিন পর তারা লক্ষ করল আরিয়ান আর মাঠে যায় না, কারও সঙ্গে কথা বলতেও চায় না। রাতে ঘুমাতে চায় না, সকালে উঠে ক্লান্ত থাকে। স্কুলেও মনোযোগ কমছে। এমনকি একবার বন্ধুদের সঙ্গে রাগ করে সে বলেছিল—"তোমাদের দরকার নেই, আমার অনলাইন ফ্রেন্ড আছে!"

তখনই তার মা-বাবা বুঝতে পারলেন, সময় এসেছে প্রযুক্তি ব্যবহারে একটি ভারসাম্য গড়ার। তারা আরিয়ানের স্ক্রিন টাইম কমালেন, প্রতি সন্ধ্যায় পরিবারের সঙ্গে গল্পের সময় রাখলেন এবং প্রতি সপ্তাহে একদিন তাকে নিয়ে মাঠে খেলতে গেলেন। ধীরে ধীরে আরিয়ান আবার হাসতে শিখল, রাগ কমে গেল, আর চোখেও ক্লান্তির ছাপ কমে এল।

এই গল্প থেকে বার্তা:

এই গল্পটি আমাদের শেখায় যে প্রযুক্তির জগৎ যেমন রঙিন ও আকর্ষণীয়, তেমনি এতে লুকিয়ে থাকে কিছু বিপদ ও সীমাবদ্ধতা। ভার্চুয়াল দুনিয়ার প্রতি অতিরিক্ত নির্ভরতা শিশুর মনোজগতে প্রভাব ফেলতে পারে—বন্ধুত্ব, খেলাধুলা, পারিবারিক সংযোগ এসব থেকে তাকে দূরে সরিয়ে দিতে পারে। তবে যদি সময়মতো সচেতনতা আসে, পরিবার ও শিক্ষক যদি বন্ধুর মতো পাশে দাঁড়ান, তাহলে প্রযুক্তির ভারসাম্যপূর্ণ ব্যবহার সম্ভব।

“প্রযুক্তিকে সহকারী বানাও, জীবনের নিয়ন্তা নয়।”

 

শিক্ষার ক্ষেত্রে প্রযুক্তির প্রভাব

  • ই-লার্নিং ও স্মার্ট ক্লাস: এখন অনেক সন্তান অনলাইন ক্লাসের মাধ্যমে পড়াশোনা করছে। এটা সুযোগ হলেও এতে চোখের সমস্যা, একাকীত্ব এবং শেখার প্রতি উদাসীনতা তৈরি হতে পারে।
  • গুগল-নির্ভরতা: নিজের মতো চিন্তা না করে সব প্রশ্নের উত্তর গুগল বা এআই-এর মাধ্যমে খোঁজার অভ্যাস গঠন হচ্ছে।

 

অভিভাবক ও শিক্ষকের ভূমিকা

  • ডিজিটাল অভিভাবকত্ব (Digital Parenting): প্রযুক্তি ব্যবহারের সময়, কনটেন্ট, এবং অনলাইন আচরণে নিয়ম থাকা প্রয়োজন।
  • আলোচনার পরিবেশ: ‘না’ বলার বদলে ‘কেন না’ বোঝানো—সন্তানর সঙ্গে যুক্তিসম্মত সংলাপ গড়ে তোলা গুরুত্বপূর্ণ।

 

মানসিক স্বাস্থ্য ও প্রযুক্তি

  • ঘুমের ব্যাঘাত: রাতে মোবাইল বা গেম খেললে ঘুমে সমস্যা হয়, যার প্রভাব পড়ে সন্তানদের আচরণে।
  • সোশ্যাল মিডিয়া উদ্বেগ: অন্যদের জীবন দেখে হীনমন্যতা, নিজেকে ছোট মনে করা—এই সমস্যাও এখন ছোটদের মধ্যেও দেখা যাচ্ছে।
  • ডিজিটাল ডিপ্রেশন: অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইম এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় নেতিবাচক অভিজ্ঞতা থেকে বিষণ্ণতা ও একাকীত্ব বাড়ছে।

 


ভবিষ্যতের জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা

  • ক্রিটিক্যাল থিঙ্কিং ও সমস্যা সমাধান: সন্তানরা যাতে প্রযুক্তিকে শুধু ব্যবহার না করে, বরং সমস্যা সমাধানে কিভাবে কাজে লাগানো যায়, তা শিখতে পারে।
  • ডিজিটাল ইথিকস ও নিরাপত্তা: ইন্টারনেট ব্যবহারের সময় কী করা ঠিক, কী বেঠিক—সেটা জানানো দরকার।

 

সন্তান ও প্রযুক্তির মধ্যে ভারসাম্য গড়ার কিছু বাস্তব উপায়

  • প্রযুক্তি সময় নির্ধারণ (যেমন: “স্ক্রিন টাইম চার্ট”)
  • সপ্তাহে একদিন "ডিজিটাল ডিটক্স ডে"
  • পরিবারের সঙ্গে টেক-ফ্রি সময় (যেমন: রাতের খাবার একসঙ্গে, গল্প বলা)
  • শেখার অ্যাপের ব্যবহার (খেলতে খেলতে শেখার দৃষ্টিভঙ্গি)

 

"সজলের স্মার্ট যাত্রা"

নাটোর জেলার এক ছোট্ট গ্রামে জন্ম সজলের। বাবা একজন কৃষক, মা গৃহিণী। গ্রামের স্কুলেই পড়ে সে—চাপা স্বভাবের, কিন্তু ভীষণ জানার ইচ্ছা।

করোনা মহামারির সময় স্কুল বন্ধ হয়ে যায়। তখন বন্ধুরা খেলাধুলায় ব্যস্ত, কেউ কেউ পড়াশোনা ছেড়েও দেয়। কিন্তু সজলের চোখে ছিল অদ্ভুত আলো।

একদিন স্কুলের স্যার পুরনো একটা স্মার্টফোন দিয়ে বলেন— “এই মোবাইলটা তোমার, চালিয়ে শেখো। ইউটিউবে পড়ার ভিডিও আছে, কুইজ আছে, ইংরেজি শেখার চ্যানেলও।”

প্রথমদিকে ভয় লাগত। কিন্তু ধীরে ধীরে সজল "WiFi" শব্দের মানে বুঝল, ভিডিও দেখে গণিতের সূত্র আয়ত্ত করল, বিজ্ঞান ক্লাসের এনিমেশন দেখে চোখ বড় বড় হয়ে গেল। এমনকি গুগল ফর্মে অনলাইন পরীক্ষাও দিলো সে।

মজার ব্যাপার হলো, সে একদিন একটি অ্যাপে ‘বজ্রপাত থেকে বাঁচার উপায়’ দেখে পুরো পাড়ায় ছড়িয়ে দেয়। সেদিন থেকেই পাড়ার লোক তাকে ডাকত “ছোট বিজ্ঞানী” বলে।

পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র সজল আজ সপ্তম শ্রেণিতে উঠে এসেছে। স্কুলের সেরা ছাত্রদের একজন, এবং তার স্বপ্ন—একদিন নিজেই একটি অ্যাপ বানাবে, যা গ্রামের শিক্ষার্থীদের শেখাতে সাহায্য করবে।

এই গল্প থেকে বার্তা:

  • প্রযুক্তি শুধু আসক্তির মাধ্যম নয়, চাইলে তা জ্ঞানের সিঁড়িও হতে পারে।
  • একটি সুযোগ একজন শিশুর জীবন বদলে দিতে পারে।
  • প্রযুক্তি ও মানুষ—যদি সঠিকভাবে মেলে, তবে ভবিষ্যৎ নির্মাণ হয় সহজে।

 

উপসংহার

প্রযুক্তি একটি শক্তিশালী হাতিয়ার, যা আজকের প্রজন্মকে তথ্য, দক্ষতা ও সৃজনশীলতায় এগিয়ে নিতে সাহায্য করছে। তবে এটি মনস্তাত্ত্বিক চাপ, আসক্তি ও সমাজ বিচ্ছিন্নতার দিকেও ঠেলে দিতে পারে যদি আমরা সময়মতো সচেতন না হই। তাই প্রয়োজন ডিজিটাল জ্ঞান, মূল্যবোধ শেখানো, পারিবারিক সংযোগ ও প্রযুক্তির ভারসাম্যপূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত করা। আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি স্বাস্থ্যবান ও সুশৃঙ্খল ডিজিটাল ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে আজই আমাদের প্রস্তুতি শুরু করা উচিত।

“প্রযুক্তি শিশুর বন্ধু হতে পারে, তবে পথপ্রদর্শক হওয়া চাই আমাদের।”

 

FAQs (প্রশ্নোত্তর বিভাগ):

Q1: প্রযুক্তির বেশি ব্যবহারে শিশুর মানসিক সমস্যা হতে পারে কি?
A: হ্যাঁ, বেশি স্ক্রিন টাইম শিশুর ঘুমের সমস্যা, মনোযোগে ঘাটতি ও মানসিক চাপ তৈরি করতে পারে।

Q2: কোন বয়স থেকে শিশুকে প্রযুক্তি দেওয়া নিরাপদ?
A: বিশেষজ্ঞরা ২ বছর বয়সের আগে স্ক্রিন এক্সপোজার এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেন। ২ বছরের পর থেকে সীমিত ও পরিপার্শ্বিক ব্যবহার উপকারী হতে পারে।

Q3: অভিভাবক হিসেবে আমি কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারি?
A: সময় নির্ধারণ, শিশুদের সঙ্গে আলোচনা, উপযুক্ত অ্যাপ বাছাই এবং নিজের আচরণে দৃষ্টান্ত স্থাপন—এই চারটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ।

Q4: প্রযুক্তি কি শিশুর ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ারে সাহায্য করে?
A: হ্যাঁ, সঠিক ব্যবহার ও উপযুক্ত গাইডেন্স থাকলে প্রযুক্তি শিশুকে দক্ষ করে তুলতে পারে ভবিষ্যতের চাকরি বা উদ্যোগের জন্য।

 

                                                      👉  ভিজিট করুন:
                                      Talent Stage – Official YouTube Channel


📌 আপনি কী ভাবছেন?

আপনার সন্তানের প্রযুক্তি ব্যবহার অভিজ্ঞতা কেমন? আপনার মতামত কমেন্টে জানান। আপনি যদি সচেতন অভিভাবক বা শিক্ষক হন, তবে আপনার মতামত জানিয়ে পোস্টটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন। আমাদের পেজে আরও জ্ঞানভিত্তিক কনটেন্ট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন!

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ